আমতলীতে কমেনি আলু, পিয়াজ, ডিম ও সয়াবিনের দাম | আপন নিউজ

রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ১২:২৩ অপরাহ্ন

প্রধান সংবাদ
কলাপাড়ায় প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে নগদ অর্থ ও উপহার সামগ্রী বিতরণ সহাবস্থানের বাংলাদেশ গড়তে সবার সহযোগিতা চান এমপি এবিএম মোশাররফ হোসেন কলাপাড়ায় গৌরবোজ্জ্বল ৯৯ এর নতুন কমিটি গঠন উত্তর চাকামইয়া মানবিক সোসাইটির ঈদ উপহার বিতরণ গাছের সাথে বেঁ’ধে পিটু’নি: কলাপাড়ায় প্রাণ গেল মানসিক ভারসাম্যহীন বৃদ্ধের রাঙ্গাবালীতে বিএনপি’র দুই পক্ষের মধ্যে সং’ঘ’র্ষ: আ’হ’ত-১৫ তালতলীতে জমি দ’খ’ল করতে শতাধিক ভাড়াটিয়া স’ন্ত্রা’সী বা’হিনী এনে ঘর নির্মাণ প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অনুদান পেল আমতলীর ১৬৫ পরিবার কুয়াকাটায় ঈদ উপলক্ষে ৫ হাজার নারীর মাঝে শাড়ি বিতরণ করলেন সাবেক পৌর মেয়র আনোয়ার সংবাদ প্রকাশের জেরে কুয়াকাটায় সাংবাদিককে হ’ত্যা’র হু’ম’কি, থানায় জিডি
আমতলীতে কমেনি আলু, পিয়াজ, ডিম ও সয়াবিনের দাম

আমতলীতে কমেনি আলু, পিয়াজ, ডিম ও সয়াবিনের দাম

আমতলী প্রতিনিধিঃ সরক্রাী নির্দেশনা উপেক্ষা করে আমতলীতে চরা মুল্যে বিক্রি করছে আলু, পিয়াজ, ডিম ও সয়াবিন তেল। এতে ক্রেতাদের মঝ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। উপজেলা প্রশাসন চরামুল্যে পন্য বিক্রির বিষয়ে দেখেও পদক্ষেপ নিচ্ছেন না। অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার দাবী জানিয়েছেন ক্রেতারা। জাতীয় জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, বরগুনা সহকারী পরিচারক বিপুল বিশ্বাস অভিযান অব্যাহতের কথা বললেও বাস্তবে নেই।

জানাগেছে, সরকার বৃহস্পতিবার রাতে নির্ধরিত করে দেয় আলু, পিয়াজ ও সয়াবিন তেল ও ডিমের দাম। কিন্তু সরকারী নির্দেশনা উপেক্ষা করে ব্যবসায়ীরা অতিমুনাফায় বেশী দামে এ সকল পন্য বিক্রি করছেন। অভিযোগ রয়েছে ,অসাধ্য ব্যবসায়ীরা পন্য মজুদ করে কৃক্রিম সংঙ্কট তৈরি করে বেশী দামে বিক্রি করছেন। বেশী দামে বিক্রি করলেও উপজেলা প্রশাসন ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, বরগুনা এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে না। ব্যবসায়ীরা এ সুযোগে সরকারী নির্দেশনার তোয়াক্কা না করে বেশী মুনাফায় বিক্রি করছেন।

শুক্রবার আমতলী বাজার ঘুরে দেখাগেছে, ব্যবসায়ীরা আলুর কেজি ৪৫-৫০, পিয়াজ ৭০- ৮০ ও বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৮০ ও সুপার সয়াবিন তেল ১৫৫-১৬০ টাকায় বিক্রি করছেন। সরকার নির্ধারিত মুল্যের চেয়ে বেশী দামে বিক্রির বিষয়ে জানতে চাইলে তারা বলেন, আমাদের বেশী দামে পন্য কেনা তাই বেশী দামে বিক্রি করতে হয়। তারাছাড়া উত্তারাঞ্চল থেকে পন্য আসছে না, তাই বাজারে পন্যের সংঙ্কট দেখা দিয়েছে।

ব্যবসায়ী মনিরুল ইসরাম, জাহিদুল ইসলাম ও সুমন মুন্সি বলেন, বেশী দামে পন্য কেনা তাই আগের দামেই বিক্রি করতে হচ্ছে। সয়াবিন তেল ১৮০ টাকা, সুপার সয়াবিন ১৫৫-১৬০ টাকা ও আলুর কেজি ৪৫-৫০ টাকা এবং পিয়াজ ৭০-৮০ টাকায় কেজি দরে বিক্রি করছি।

ক্রেতা জুয়েল, কবির ও সাখাওয়াত বলেন, সরকার দাম কমালেও ব্যবসায়ীরা দাম কমাচ্ছে না। আলুর কেজি ৫০ টাকা, পিয়াজের কেজি ৮০ টাকা ও সয়াবিন তেল ১৮০ টাকায় ক্রয় করেছি। সরকারীভাবে পন্যের দামের প্রভাব বাজারে পরেনি। তারা আরো বলেন, প্রশাসন এগুলো দেখেও না দেখার ভান করছে। তারা ব্যবস্থা নিলে অবশ্যই ব্যবসায়ীরা সরকার নির্ধারিত মুল্যে পন্যে বিক্রি করতে বাধ্য হতো। অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবী জানান তারা। তারা আরো বলেন, সরকারীভাবে পন্যের দাম কমানোর সাথে সাথে ব্যবসায়ীরা কৃত্রিম সংঙ্কট তৈরি করে বেশী দামে বিক্রি করছে।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বরগুনা, সহকারী পরিচারক বিপুল বিশ্বাস বলেন, সরকারী নির্দেশনা উপেক্ষা করে কেউ বেশী মুল্যে বিক্রি করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে, আমাদের অভিযান অব্যহত আছে।

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved 2022 © aponnewsbd.com

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: JPHostBD
error: সাইটের কোন তথ্য কপি করা নিষেধ!!